
বরগুনা প্রতিনিধি: বরগুনা ও বেতাগীতে দলীয় কার্যালয় খোলা, জাতীয় পতাকা উত্তোলন এবং পরবর্তীতে ভাঙচুরের ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। এ ঘটনায় বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন উঠেছে—এটি কি কেন্দ্রীয় কোনো নির্দেশনার অংশ???
গত ১৮ ফেব্রুয়ারি সকালে বরগুনা জেলা শহরে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগ। স্থানীয় ব্যবসায়ী ও পথচারীরা বিষয়টি লক্ষ্য করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দিলে আলোচনা শুরু হয়। এর আগে ১৬ ফেব্রুয়ারি বেতাগী উপজেলাতেও একই ধরনের ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, একদম সকাল সকাল নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের কিছু নেতা-কর্মী কার্যালয়ে প্রবেশ করে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও দলীয় সভাপতি শেখ হাসিনার ছবি টাঙান এবং সাইনবোর্ড স্থাপন করেন।১৬ তারিখ রাতে বেতাগির কার্যালয়ে বিক্ষুব্ধ ছাত্র জনতার ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটেছে বলে জানা যায়।
বেতাগী উপজেলা ছাত্রলীগের নেতা সিফাত ভিডিওতে দাবি করেন, তারা দলীয় সভাপতির নির্দেশে কার্যালয়ে যাতায়াত শুরু করেছেন!! তবে এ বিষয়ে কেন্দ্রীয় পর্যায়ে ভিন্ন ভিন্ন বক্তব্য পাওয়া গেছে।
আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাসিম এক গণমাধ্যমকে বলেন, নেত্রীর নির্দেশনা হলো তৃণমূল পর্যায়ে নেতা-কর্মীদের সক্রিয় হতে এবং দলীয় স্থাপনাগুলোতে যেতে। অন্যদিকে সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ এ আরাফাত বলেন, কার্যালয় খোলার বিষয়ে কোনো “অফিসিয়াল নির্দেশ” তার জানা নেই; যা হচ্ছে তা স্বতঃস্ফূর্ত।
বরগুনা জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি রেজা জানান, এটি সরাসরি কেন্দ্রীয় নির্দেশ নয়, তবে সংগঠনকে সক্রিয় করার আহ্বান আগে থেকেই ছিল।
এদিকে বিরোধী রাজনৈতিক নেতারা অভিযোগ করেছেন, নিষিদ্ধ ঘোষিত অবস্থায় দলীয় কার্যালয় খুলে কার্যক্রম চালানোর চেষ্টা নতুন করে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করতে পারে। তবে তারা শেখ হাসিনার সরাসরি নির্দেশে এ ধরনের সহিংসতা ঘটছে বলে দাবি করেন।
বরগুনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবদুল আলীম বলেন, কার্যালয়ে প্রবেশ, পতাকা উত্তোলন ও ভাঙচুর—সবগুলো ঘটনা তদন্তাধীন। ভিডিও ফুটেজ দেখে জড়িতদের শনাক্তের কাজ চলছে।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একাধিক সূত্র জানায়, কার্যালয় ঘিরে উত্তেজনার সময় কিছু বিক্ষুব্ধ জনতা তৃতীয়বারের মতো হামলার চেষ্টা করে নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগের বরগুনা বাজারের অফিসে (সন্ধ্যার দিকে)
প্রকাশনার ২৩ বছর___ "দৈনিক শেষকথা"
সরকারি মিডিয়াভূক্ত বহুল প্রচারিত দৈনিক পত্রিকা,
রেজি নং-ঃ কেএন-৪৪১
📰 দৈনিক শেষকথা
📍 বরগুনা প্রতিনিধি
🗓️ প্রকাশিত: / / ২০২৫ | _বার,
🔖 বিশেষ প্রতিবেদন
# ইউনিটের নাম ও পরিচিতি :-
"শেষকথা মাল্টিমিডিয়া" :-
“চোখে দেখা, কানে শোনা, মনের ভিতর খবর”
কাজের ধরণ: ভিডিও সংবাদ, লাইভ রিপোর্ট, ভয়েস রিপোর্ট, ভিডিও ফিচার, ইনফোগ্রাফিক রিপোর্ট,
🔗 Our Service's & live Channels 📡📺 ________
🔴 লাইভ নিউজ আপডেট জেলাভিত্তিক বা জরুরি ঘটনার তাৎক্ষণিক লাইভ কাভারেজ
📺 সাপ্তাহিক অনুষ্ঠান “শেষকথার মুখোমুখি”--
“বরগুনার খবর”---“নারী কথা”
🎙️ পডকাস্ট/ ভয়েস রিপোর্ট সংবাদ বা মতামতের অডিও ফর্ম
📹 ভিডিও প্রতিবেদন নির্দিষ্ট ইস্যুতে ফিল্ড রিপোর্ট ও স্ক্রিপ্টেড ভিডিও
🧑🤝🧑 সাক্ষাৎকার:- স্থানীয় প্রশাসন, রাজনীতি, সমাজকর্মী ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে
🎥 ভিডিও রিপোর্টিং
🎤 প্রেজেন্টার / নিউজ রিডার
✍️ স্ক্রিপ্ট রাইটার
🧑💻 ভিডিও এডিটর
📱 সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজার -
🎙️ ভয়েস ওভার আর্টিস্ট
ওয়েবসাইট :-
https://dailyseshkatha.online/
https://dailybarguna3.wordpress.com/
https://dailycurrentnews8.wordpress.com/
https://thedailybargunablog.wordpress.com/
🔗 ইউটিউব লাইভ চ্যানেল লিংক :-
https://youtube.com/@dailyseshkathaonline?si=QnwTnMKaUB7IfNLx
https://youtube.com/@seshkathanews24?si=TJeZYgt4rKhcWBK_
🔗 হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল :-
চ্যানেল লিংক https://whatsapp.com/channel/0029Vb6M8aP4tRrnaApTX41q
📢 যোগাযোগ করুন আমাদের সাথে:
🌐 ওয়েবসাইট: https://dailyseshkatha.online
📧 ইমেইল: dailyseshkathaonline@gmail.com
📲 WhatsApp/Signal: (Admin-SesHKathAChannel)
https://wa.me/+8801626547154
Call us- +8801889115161 / +8801963875257
Facebook link- https://www.facebook.com/dailyseshkathaonline
https://www.facebook.com/profile.php?id=61578713904473
https://www.facebook.com/Bartamansangbad
Messenger Group - https://m.me/cm/AbYWXPeZQSRDVHQU/?send_source=cm%3Acopy_invite_link
তথ্য ও নিউজ পাঠানোর জন্য যোগাযোগ করুন-
https://wa.me/8801889115161
News Update Group - https://facebook.com/groups/2120594495117098/
সামাজিক প্রতিষ্ঠানসমূহ :-
https://www.facebook.com/profile.php?id=100079031007495
https://www.facebook.com/profile.php?id=100089132868939
Copyright © 2026 দৈনিক শেষকথা DailySeshkatha. All rights reserved.